(পর্ব ১)
আজ থেকে প্রায় ২০ বছর আগে আমি নিজেও ঢাকার একটা এন. জিও তে জেন্ডার ট্রেইনিং প্রোগ্রামে কাজ করতাম। ওখানকার ওয়ার্কশপ গুলোতে নারীর সমঅধিকার নিয়ে খুব খুব সুন্দর কথা বলতে আসতেন জনপ্রিয় নারী অধিকার কর্মীরা। এমনকি বর্তমান উপদেষ্টা পরিষদের একজন নারী সদস্যও ক্লাস নিতে আসতেন আমাদের প্রতিষ্ঠানে। আমি খুব মুগ্ধ হয়ে তার কথা শুনতাম।
সম্পত্তিতে নারী-পুরুষ সমান অধিকার পায় না বলে, নারীরা অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী হয় না বলেই একজন পুরুষকে কেন্দ্র করে উপগ্রহের মতো বউ-শাশুড়ি দুইজন ঘুরতে থাকে এবং সংসারগুলোতে অশান্তি হয়——এসব থিওরি পড়তে তখন খুব ভালো লাগতো। অবিবাহিত ছিলাম, নিজের সংসারের দায়-দায়িত্ব ছিল না, বাসার কাছে অফিস ছিল বলে যাতায়াতও সহজ ছিল। সবমিলিয়ে নারীবাদী হিসেবে ব্রেনওয়াশ হয়োর জন্য পারফেক্ট সিচুয়েশন।
কিন্তু দিন যতই যেতে লাগলো অফিসের বিবাহিতা কলিগদের সাথে কথোপকথনে তাদের কর্মজীবন ও পারিবারিক জীবনের টানাপোড়েন দেখে ততোই বাস্তবতা উপলব্ধি করতে লাগলাম। প্রতিদিন ৯-৫টা অফিস, যাওয়া-আসার সময়, নিজে রেডি হওয়া—-সব মিলিয়ে দিনের প্রায় ১০-১১ ঘন্টাই চলে যায় কর্মজীবনের পিছনে। এরপর বাসায় ফিরে স্বামী, সন্তানকে সময় দেয়া, রান্না করা—এসব করার জন্য শরীর আর সাপোর্ট দেয় না। আর্থিক স্বাবলম্বীতা আসে ঠিকই কিন্তু বিনিময়ে সংসারে পর্যাপ্ত সময় দিতে না পারার অপরাধবোধে ভুগতে হয় সবসময়।
তবে সবচেয়ে বেশি আশাহত হলাম অফিসের সাপোর্ট সিস্টেম দেখে। যেই প্রতিষ্ঠান নিজেই নারী অধিকার নিয়ে কাজ করে, যেখানে প্রতিষ্ঠানের প্রধান একজন নারী সেই প্রতিষ্ঠানে নারী কর্মীদের জন্য নেই কোনো ডে-কেয়ার ব্যবস্থা, নেই নিরাপদ যাতায়াতের জন্য ট্রান্সপোর্টেশনের ব্যবস্থা ( নিজে একা আসা আর বাচ্চা নিয়ে আসা অনেক ভিন্ন ব্যাপার), নেই পুরুষ কলিগদের সহযোগীতামূলক মনোভাব তৈরির জন্য কাউন্সিলিং এর ব্যবস্থা।
”সমতা নয় সাম্য” —নারীর প্রতিভা বিকাশের জন্য সবচেয়ে প্রয়োজনীয় এবং জনপ্রিয় যে থিওরিটি এতদিন কাগজে-কলমে পড়তাম তার কোনো প্র্যাক্টিকাল প্রয়োগ দেখলাম না স্বয়ং এনজিও তেই।
এছাড়া আরেকটা কথা বারবার মনে হতো, যে নারী তার কন্যাশিশুটিকে বাসায় রেখে আসছে, তারও তো অধিকার আছে মায়ের পরিপূর্ণ আদর-যত্ন পাবার, যে বৃদ্ধ মা বা শাশুড়ি মেয়ে/বউয়ের চাকরীতে সাহায্য করার জন্য নাতি-নাতনির দেখভাল করছে তারও তো অধিকার আছে শেষ বয়সে একটু আরাম-আয়েশে জীবন কাটাবার, নিজের পরকালের জন্য কিছু পাথেয় সঞ্চয় করবার কিংবা যে গৃহকর্মীটি নিজের পরিবার ছেড়ে অন্যের বাচ্চার যত্ন করবার জন্য সারাদিন আপনার বাসায় সময় ব্যয় করছে তাকে যে দিনের পর দিন একা বাসায় পেয়ে কেউ হেনস্থা করবে না–সেই নিশ্চয়তাই বা কে দিবে???একজন কর্মজীবী নারীর অধিকার নিশ্চিত করতে গিয়ে কি আরও কয়েকজন নারীর অধিকার ক্ষুণ্ণ হচ্ছে না?
এসব স্বচক্ষে দেখতে দেখতেই এনজিওদের হিপোক্রেসিটা দিবালোকের মতো পরিষ্কার হয়ে গেল। তাদের কথার সৌন্দর্য আর মুগ্ধ করতে পারতো না আমাকে। তারা পশ্চিমা দেশ থেকে ফান্ডিং এনে তাদের
থিওরিগুলো পড়ায় ঠিকই , কিন্তু সেটার বাস্তবায়নের জন্য সাপোর্ট সিস্টেম প্রোভাইড করে না। অথচ পশ্চিমা দেশগুলোতে ঠিকই বাচ্চার take care এর জন্য পর্যাপ্ত ডে-কেয়ার আছে, বাসায় নির্দিষ্ট সময় থাকার জন্য প্রশিক্ষিত ন্যানী আছে, পিতৃত্বকালীন ছুটি আছে, এমনকি লাইব্রেরি, শপিং মল, মসজিদে বাচ্চাদের জন্য আলাদা কিডস জোন আছে। আর করোনার পর তো প্রচুর প্রতিষ্ঠান Work from home এর সুবিধা দিচ্ছে। তাদের সমাজে নারীর কর্মবান্ধব পরিবেশ তৈরির সব ধরনের সেট-আপ এবং সহযোগিতামূলক মানসিকতা আছে।
তাই আমি যদি সত্যিই এনজিও প্রতিনিধি হিসেবে নারী অধিকার কমিশনে কাজ করার সুযোগ পেতাম তবে নারীদের কর্মক্ষেত্রের বাস্তব সমস্যাগুলো সমাধানের জন্য প্রাতিষ্ঠানিক এবং রাষ্ট্রীয় উদ্যোগ গ্রহণের সুপারিশ করতাম। নারীদের জন্য নিরাপদ পরিবহন, ডে-কেয়ার ব্যবস্থা, সবেতন মাতৃত্ব ও পিতৃত্বকালীন ছুটির ব্যবস্থা, ক্যান্টিনের ব্যবস্থা করা বাধ্যতামূলক করতাম।
মেজরিটি সংখ্যক নারীদের সমস্যা সমাধানের জন্য উদ্যোগ না নিয়ে যৌন কর্মীদের শ্রমিকের স্বীকৃতি,, মেরিটাল রেপ, ট্রান্সনারীদের সমঅধিকার—-এ ধরনের মাইনর ইস্যু নিয়ে মাত্রাতিরিক্ত ফোকাস করে নিজেদের বাস্তব অধিকার আদায়ের এই সুবর্ণ সুযোগককে অহেতুক প্রশ্নবিদ্ধ ও বিতর্কিত করতাম না।
সত্যি কথা বলতে, মূল পয়েন্টে ফোকাস করে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে পারে না বলেই, বছরের পর বছর ধরে কাজ করেও নারী উন্নয়নে এসব এনজিওদের সাফল্যের হার খুবই কম।
এই পর্যন্ত আমার লেখা পড়ে অনেক ইসলামপন্থীরাই হয়তো মন্তব্য করবেন আমি নারীদের বাইরে কাজ করতে আসার উপযোগী পরিবেশ তৈরির পরামর্শ দিয়ে তাদের দলে দলে বহির্মুখী হবার ব্যাপারে উৎসাহিত করছি। তাদের উদ্দেশ্যে আগেই বলে রাখি আমাদের ইসলামপন্থী ব্যক্তিরাই বা তাদের নিজেদের ঘরগুলোকে নারীদের জন্য কতটা নিরাপদ রাখতে পেরেছেন?
যদি পারতেনই, তবে কি এনজিও রা নারীদের ব্রেইনওয়াশ করার সুযোগ পেত? যদি দেশের শতভাগ নারী পিতার সম্পত্তি, স্বামীর সম্পত্তি এবং বিয়ের সময় মোহরানার টাকা —সবকিছু সময়মতো বুঝে পেত তবে কি তারা এনজিওদের সমান সম্পত্তি পাবার আকষর্ণীয় অফারকে লুফে নিত?
আসুন অন্যের দিকে আঙ্গুল তোলার আগে আত্মসমালোচনা করি।
আমি যদি ইসলামপন্থী নারী হিসেবে নারী অধিকার কমিশনে কাজ করার সুযোগ পেতাম তবে কি কি সুপারিশ করতাম, তা আগামী পর্বে লিখবো ইনশাআল্লাহ।
(পর্ব ২)
গত পর্বে বলেছিলাম, ইসলাম নারীর আর্থিক সুরক্ষার জন্য যেসব উৎস থেকে অর্থপ্রাপ্তির ব্যবস্থা রেখেছে , তার সবগুলো যদি নারীরা সময়মতো পেত, তাহলে তারা তথাকথিত নারীবাদীদের সমঅধিকারের দাবিকে আকষর্ণীয় মনে করতো না।
এবার এই বিষয়টি একটু ব্যাখ্যা করি।
ইসলামে নারীকে অর্থ উপার্জনের বাধ্যবাধকতা দেয়া হয়নি। এমনকি যদি নারী অর্থ উপার্জন করেও তবে সেটা সে সংসারে খরচ করতে বাধ্য নয়, করলে সেটা সাদাকাহ হিসেবে গণ্য হবে।
জীবনের বিভিন্ন পর্যায়ে নারীর দায়িত্ব ভিন্ন ভিন্ন মাহরাম পুরুষকে দেয়া হয়েছে। জন্মের পর পিতা, (পিতার অবর্তমানে ভাই), বিয়ের পর স্বামী এবং বৃদ্ধ বয়সে পুত্র নারীর ভরণপোষণের দায়িত্ব পালন করবে। তাছাড়া নিয়মিত ভরণপোষনের বাইরেও নারী যেন তার ব্যক্তিগত প্রয়োজনে স্বাধীনভাবে অর্থ খরচ করতে পারে কিংবা নারী যেন অর্থাভাবে নিজেকে ইনসিকিউর ফিল না করে, সেজন্য তার ফিক্সড সম্পদের ব্যবস্থাও করেছে ইসলাম। বাবার বাড়ি থেকে পৈতৃক সম্পত্তিতে ভাগ পাবে, বিয়ের সময় কুফু অনুযায়ী নির্ধারিত দেনমোহরের অর্থ পূর্ণ উসুল পাবে এবং স্বামীর সম্পত্তিতেও ভাগ পাবে।
হ্যাঁ, সম্পত্তির উত্তরাধিকারের ক্ষেত্রে সে তার পুরুষ মাহরামের ক্ষেত্রে কম পাবে ঠিকই কিন্তু এখানে মনে রাখতে হবে যে, সে কিন্তু তার প্রাপ্ত অর্থ তার পরিবারের জন্য ব্যয় করতে দায়িত্বশীল না। একজন ভাইকে তার নিজের পরিবার এবং তার বৃদ্ধ মা-বাবা, বোনদের প্রতিও দায়িত্ব পালন করতে হবে বলেই তার সম্পত্তির ভাগ দ্বিগুণ এবং সে যদি এই দ্বিগুণ সম্পত্তি লাভের পরও তার মা-বাবা, বোনদের প্রতি দায়িত্ব পালন না করে তবে তার জবাবদিহিতা তাকে পরকালে করতে হবে।
একজন নারীর যদি এই ইসলামিক কনসেপ্টগুলো ক্লিয়ার থাকে এবং তার বাবা,ভাই, স্বামী, পুত্র প্রত্যেকেই তাদের প্রতি অর্পিত দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করে তবে কোনো বিবেকবুদ্ধিসম্পন্ন নারী সমান সম্পত্তি আদায় করার জন্য বিভ্রান্ত হবে না।
But the bitter tragedy is, নারীদের এই ইসলাম কর্তৃক বরাদ্দ সম্পত্তির ভাগ পেতেই যথেষ্ট কাঠখড় পোড়াতে হয়। না বাবার সম্পত্তির অর্ধেক ভাগ বুঝে পায়, না বিয়ের সময় পূর্ণ দেনমোহর পায়!! সবক্ষেত্রেই মূলা ঝুলিয়ে রেখে তাদের বছরের পর বছর বঞ্চিত করা হয়। নারীরা ক্যারিয়ারিস্ট হওয়ার পেছনে যুগ যুগ ধরে চলে আসা এই বঞ্চনাকে কোনোভাবেই ইগনোর করার উপায় নেই।
আবার সব নারীরই যে পিতার সম্পত্তি থাকবে বা ভাই থাকবে বা পুত্রসন্তান থাকবে বা বিয়ের পর বিধবা, ডিভোর্সি হবে না তার তো কোনো গ্যারান্টি নেই। এসব ক্ষেত্রেই প্রশ্ন আসে নারীদের নিজস্ব স্কিল ডেভেলপ করার —যেন সে জরুরী প্রয়োজনে নিজের এবং সংসারের হাল ধরতে পারে। তবে ইসলামে যেহেতু নারীদের পর্দা মেইনটেইন করারও বাধ্যবাধকতা আছে ,তাই এসব ক্ষেত্রে সমাজ এবং রাষ্ট্রের দায়িত্ব গুরুত্বপূর্ণ।
আমি যদি ইসলামপন্থীদের প্রতিনিধি হিসেবে নারী অধিকার সংস্কার কমিশনে কাজ করার সুযোগ পেতাম তবে আমি নারীদের জন্য পৃথক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, পৃথক skill development training institute যেখানে নারী প্রশিক্ষণার্থীদের দ্বারা বেকিং, কুকিং, সেলাই, কন্টেন্ট রাইটিং, গ্রাফিকস ডিজাইনিং প্রভৃতি পর্দার পরিবেশ মেইনটেইন করে শেখানো হবে সেগুলো ব্যাপকহারে প্রতিষ্ঠার ব্যবস্থা করতাম। সেই সাথে নারীদের জন্য পৃথক কর্মসংস্থান, পৃথক পরিবহনব্যবস্থা, ব্যবসায়ী/ উদ্যোক্তা হওয়ার জন্য মূলধন হিসেবে বিনা সুদে কর্জে হাসানার ব্যবস্থা করার সুপারিশ করতাম। আস সুন্নাহ ফাউন্ডেশন যেই কাজ বেসরকারীভাবে সীমিত পরিসরে করছে সেই কাজগুলোই রাষ্ট্রীয় উদ্যোগে ব্যাপক হারে করবার সুপারিশ করতাম।
এছাড়াও সব শপিং মল, মসজিদ, হাসপাতাল,লাইব্রেরিতে নারীদের জন্য পৃথক ওয়াশরুম ও নামাজের ব্যবস্থা রাখা বাধ্যতামূলক করার সুপারিশ করতাম। এই সুবিধাগুলো বিশ্বের অনেক অমুসলিম দেশে থাকলেও সংখ্যাগরিষ্ঠ মুসলিমের এই দেশে এসব ব্যবস্থা গড়ে ওঠেনি। দু:খজনক ব্যাপার হলো আমাদের দ্বীনি ভাইয়েরা এসব উদ্যোগ গ্রহণে রাষ্ট্রকে চাপ প্রয়োগ করার বদলে নারীদের উপর চাপ প্রয়োগ করেন যেন তারা গৃহবন্দী হয়ে থাকেন। ব্যাপারটা অনেকটা বাইরে বিপদজনক পশুরা ঘোরাফেরা করছে বলে নিজেকেই খাঁচায় বন্দী হয়ে থাকতে হবে—এটাই সমাধান।
অথচ নারীরা যদি দিনের পর দিন গৃহবন্দী হয়ে থাকে তবে তাদের মানসিক বৈকল্য ঘটবে, তারা গীবত,অন্যের সংসারে ইন্টারফেয়ার, একজনের কথা অন্যজনকে লাগানো—-এসব কাজে ব্যস্ত হয়ে পড়বে –এই বাস্তবতাকে উপেক্ষা করার কোনো সুযোগ নেই। তাই আর্থিক প্রয়োজন ছাড়াও মানসিকভাবে সুস্থ থাকার জন্যও নারীদের জন্য পৃথক পার্ক, রেস্টুরেন্ট , লাইব্রেরি বা অন্য কোনো সামাজিক সংগঠনের ব্যবস্থা থাকা দরকার যেখানে নারীরা সপ্তাহে / পনের দিনে/ মাসে গেট টুগেদার করবে, নিজেদের মধ্যে সৃজনশীল আলোচনা করবে, ইসলামিক প্যারেন্টিং সহ অন্যান্য বিষয় নিয়ে মত বিনিময় করবে, উম্মাহর কল্যাণে কিভাবে অবদান রাখা যায় সে বিষয়ে আইডিয়া শেয়ার করবে। পর্দার পরিবেশ সম্পন্ন এবং বাচ্চাদের রাখার ব্যবস্থা আছে—এমন নারীবান্ধব প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলাও এখন সময়ের দাবি। আমি নারী অধিকিার সংস্কার কমিশনে থাকলে এসব বিষয়গুলোতে ফোকাস করতাম।
দু:খের বিষয় এই যে, নারী সংস্কার কমিশনে সমাজের সব শ্রেণির নারীদের প্রতিনিধি রাখা হয়নি। বর্তমান সরকারের অনেক ভালো কাজের প্রচেষ্টার মাঝে এই কমিশন এর প্রস্তাবগুলো হয়ে গেছে এক গ্লাস দুধে এক ফোঁটা চুনের মতো, যা তাদের অন্যান্য ভালো কাজগুলোকেও প্রশ্নবিদ্ধ করছে।
তাই অফলাইন এবং অনলাইনে জোরালো প্রতিবাদ অব্যাহত রাখা উচিত, যেন এই কমিশনের ধর্মের সাথে সাংঘর্ষিক প্রস্তাবিত বিষয়গুলো পাশ না হতে পারে।
সবশেষে বলতে চাই, নারীদের সমস্যাগুলো সমাধানের জন্য নারীদেরই ভোকাল হতে হবে, তবে পুরুষ, সমাজ এবং সর্বোপরি রাষ্ট্রের উদ্যোগ ছাড়া এসব সমস্যার সমাধান সম্ভব নয়। আবার সমাজের অর্ধেক অংশ যে নারী, তাদের পেছনে ফেলে পরিবার, সমাজ বা রাষ্ট্রও কিন্তু আগাতে পারবে না। এই বাস্তবতা সবাই যত দ্রুত অনুভব করবে ততই মঙ্গল।
